দেশজুড়ে

একপাশে নদী,অপর পাশে মনজুড়ানো বিস্তৃত সমুদ্রের জলরাশি,এ হল শাহ পরীর দ্বীপ।নাফ নদীর মোহনায়।

ডেস্ক রিপোর্ট

৫ এপ্রিল ২০২৩ , ৩:৩৩:৩৭ প্রিন্ট সংস্করণ

 

মোহাম্মদ ইউনুছ অভি টেকনাফ

বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্তে অবস্থিত। প্রথম ইংরেজ-বর্মী যুদ্ধের সময় ব্রিটিশরা এই দ্বীপের দাবি করে, এটি টেকনাফের সর্ব দক্ষিণে ভূ-ভাগের খুবই নিকটবর্তী একটি দ্বীপ এবং টেকনাফ পর্যন্ত বিস্তৃত।

শাহ পরীর দ্বীপের বাম পাশে নাফ নদী। নদীর ঐ পাড়ে বার্মা বা মায়ানমার সীমান্তের মংডু প্রদেশ ৷ শাহ পরীর দ্বীপের তিনটি সৈকত রয়েছে।একটু সামনে থেকে দেখা যায় সেন্টমার্টিন দ্বীপ। আছে বিজিবি চৌকি ও ওয়াচ টাওয়ার। স্বাধীনতার আগে শাহ পরীর দ্বীপের আয়তন ছিল দৈর্ঘ্য প্রায় ১৫ কিমি এবং প্রস্থ ১০কিঃমিঃ৷ বর্তমানে তা ছোট হয়ে দৈর্ঘ্য ৪ কিমিও প্রস্থ ৩ কিলোমিটারে দাঁড়িয়েছে। টেকনাফ থেকে শাহ পরীর দ্বীপের দূরত্ব১৩.৭০ কিঃমিঃ।


এর নামকরণ সম্পর্কে কেউ বলেন সম্রাট শাহ সুজার ‘শাহ’ আর তাঁর স্ত্রী পরীবানুর ‘পরী’ মিলিয়ে নামকরণ হয়েছিল এই দ্বীপের, কারো মতে ‘শাহ ফরিদ’ আউলিয়ার নামে দ্বীপের নাম করণ হয়েছে। অপরদিকে অষ্টাদশ শতাব্দীর কবি সা’বারিদ খাঁ’র ‘হানিফা ও কয়রাপরী’ কাব্য গ্রন্থের অন্যতম চরিত্র ‘শাহপরী

শেয়ার করুন:

আরও খবর

Sponsered content

রক্তদাতাদের সংগঠন বাঁধনের আয়োজনে জিএসএসসি ইফতার মাহফিল

আন্ধারীঝাড়ে ধারের টাকা তুলতে হালখাতা এস এম মনিরুজ্জামান, স্ট্যাফ রিপোর্টারঃ ধারের টাকা তুলতে ঋণগ্রহীতাদের কাছে হালখাতার চিঠি দিয়েছেন কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার আন্ধারীঝাড় এম এ এম উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুল আউয়াল। এরইমধ্যে সবার কাছে হালখাতার চিঠি পৌঁছে দিয়েছেন তিনি। আগামী ১২ জানুয়ারি হালখাতা অনুষ্ঠিত হবে। হালখাতার একটা চিঠি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে আব্দুল আউয়াল চিঠিতে লিখেছেন, ‘আপনাদের টাকা হাওলাত দিয়ে আমি আনন্দিত। আগামী ১২ জানুয়ারি হালখাতার আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত হালখাতায় আপনি উপস্থিত হয়ে ঋণ পরিশোধ করে ঋণমুক্ত থাকুন।’ ধারের টাকা পরিশোধ করতে ৩৫ জন ঋণগ্রহীতাকে চিঠি দিয়েছেন ওই শিক্ষক। এসব মানুষের মধ্যে বেশিরভাগই তার বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজনসহ কাছের মানুষ। হালখাতার চিঠি পাওয়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন, ‘হালখাতার চিঠি পেয়ে প্রথমে হতভম্ব হলেও পরে বুঝতে পেরেছি ধারের টাকা ফেরত দিতে দেরি হয়েছে। আশা করছি হালখাতায় তার টাকা পরিশোধ করে দেবো।’ হালখাতার আয়োজক শিক্ষক আব্দুল আউয়াল বলেন, ‘যারা টাকা ধার নিয়েছেন তাদের সঙ্গে প্রতিদিন ওঠাবসা রয়েছে। লজ্জায় তাদের কাছে টাকা ফেরতও চাইতে পারি না। তারাও দেওয়ার নাম করে না। পরে তাদের টাকা ফেরত দেওয়ার মাধ্যম হিসেবে হালখাতার ধারণা মাথায় আসে। এতে তাদের সঙ্গে মনোমালিন্যও হলো না, আবার টাকা ওঠার সম্ভাবনা শতভাগ রয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, এ পর্যন্ত ৩৫ জনকে চিঠি দিয়েছি। এদের মধ্যে কেউ তিন বছর আগে টাকা নিয়েছেন। সবমিলিয়ে আমার তিন লাখ টাকার মতো ধার দেওয়া আছে। চিঠি পেয়ে অনেকে টাকা পরিশোধ করতে উদ্যোগ নিয়েছেন।

রাজধানীর বঙ্গবাজার বঙ্গ মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড।

অধ্যাপক মোজাফফর আহম্মেদ এর ১০১ তম জন্মবার্ষিকী

ইবির পিকনিক বাসে ইট নিক্ষেপ আহত শিক্ষক ও মেয়ে