সারাদেশ

রূপসার দুই মাদক বিক্রেতাকে ১৭০০ পিস ইয়াবা সহ গ্রেফতার

ডেস্ক রিপোর্ট

১৫ জানুয়ারি ২০২৪ , ১:৩৬:৫২ প্রিন্ট সংস্করণ

রূপসার দুই মাদক বিক্রেতাকে ১৭০০ পিস ইয়াবা সহ গ্রেফতার

মোল্লা জাহাঙ্গীর আলম /খুলনা //

খুলনার সদর সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল এলাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর অভিযান চালিয়ে মোঃ সুমন মীর ও মোঃ ফারুক বেপারী নামে দুই মাদক বিক্রেতাকে ১৭০০ পিস ইয়াবা সহ গ্রেফতার করেছে।

গ্রেফতারকৃত মোঃ সুমন মীর,সে খুলনা জেলার রূপসা উপজেলার পশ্চিম নন্দনপুর গ্রামের মৃত জালাল মীরের পুত্র এবং মোঃ ফারুক বেপারী উক্ত এলাকার
মোঃ মৃত ইসমাইল ব্যাপারির পুত্র।

এজাহার সূত্রে জানাযায়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর খুলনা এর উপ পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মোঃ বদরুল হাসানের নেতৃত্বে বিভাগীয় স্টাফ নিয়ে ১৪ জানুয়ারি -২০২৪ এর রাত ৯টার দিকে মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযানে বের হলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে আসামিরা মাদকদ্রব্য ইয়াবা নিয়ে খুলনা আগামী সুন্দরবন ক্লাসিক যাত্রীবাহী বাস যাহার নং -ঢাকা মেট্রো ব ১৫-৪৫০৭ তে করে নিয়ে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে বহন করছে।

তখন অভিযানকারী দলটি গাড়ির এক ও দুই নং সিটের যাত্রী মোঃ সুমন মীর ও মোঃ ফারুক বেপারীকে নিচে নামিয়ে দেহ তল্লাশি করে সুমনের প্যান্টের ডান পকেট হতে ১০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও মোঃ ফারুক বেপারীর জিন্স প্যান্টের বাম পকেট হতে ৭০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ তাদের গ্ৰেফতার করেন।

এ সংক্রান্তে পরিদর্শক মোঃ বদরুল হাসান বাদী হয়ে উক্ত আসামীর বিরুদ্ধে খুলনার সোনাডাঙ্গা থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করেন।

শেয়ার করুন:

আরও খবর

Sponsered content

পবিপ্রবিতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে সাতগাঁও নতুন বাজারে মাহে রমযান কে স্বাগত জানিয়ে মিছিল

কক্সবাজার-কস্তুরাঘাটের নতুন সেতুটি খুললো : পর্যটকদের উপচেপড়া ভীড়

কুমিল্লা জেলা ডিবি পুলিশের অভিযানে ৫২ কেজি গাঁজাসহ আটক ১

শীতের শুরুতেই জমে উঠেছে পিঠা বিক্রি রিপন কান্তি গুণ, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি শীত আসলেই মনে হয়ে যায় শীতের নানা রকম মুখোরোচক পিঠার কথা। সন্ধ্যা নামার সাথে সাথেই হিমেল হাওয়ার প্রভাবে বেড়ে যায় শীতের তীব্রতা। শীতের শুরুতে গোধূলী বেলায় হালকা কুয়াশা নেমে আসতে না আসতেই নেত্রকোনা সদরসহ বিভিন্ন এলাকায় শীতে পিঠা বানানো, বেচাকেনায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন পিঠা ব্যবসায়ীরা। সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, নেত্রকোনা জেলার পৌর শহরের থানারমোড়, মুক্তারপাড়া মাঠ, বড়বাজার, সাতপাই কালিবাড়ি মোড়সহ বিভিন্ন উপজেলার হাট-বাজারের মোড়ে এবং গ্রামের দোকানে মাটির চুলায় তৈরি হচ্ছে নানা ধরনের পিঠা। বেশির ভাগই চোখে পড়ে ভাপা ও চিতই পিঠা। শীত আসলেই এসব দোকান বসে। পিঠা ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এ ব্যবসায় তেমন বেশি পুঁজি লাগে না। জ্বালানি হিসেবে লাকড়ি বা খড়ি লাগে, এ ছাড়া কিছু গুড়, নারকেল ও চালের গুঁড়া দিয়েই শুরু করা যায় ব্যবসা। তারা আরও বলেন, শীত মৌসুমে ভাপা ও চিতই পিঠা বিক্রি হয় বেশি। বিকেল থেকে বেশ রাত পর্যন্ত চলে বিক্রি। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভিড় বাড়তে থাকে পিঠার দোকানগুলোতে। জেলার পৌর শহরের থানার মোড়ে ভাপা পিঠা খেতে আসা আমহোসেন বলেন, চালের গুঁড়ার সঙ্গে গুড় এবং নারিকেল মিশিয়ে তৈরি করা হচ্ছে ভাপা পিঠা। গরম গরম ভাপা পিঠার মজাই আলাদা। ভাপা পিঠা আমাদের দেশের গ্রামীণ বাংলার দেশীয় সংস্কৃতি লালন করছে। অন্যদিকে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা বেকারত্ব দূরীকরণ ও অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছে। পৌর শহরের পিঠা বিক্রেতারা জানান, বেচা-বিক্রি বেশ ভালোই। সন্ধ্যায় ক্রেতাদের আগমন ঘটে অনেক, ফলে চাহিদানুযায়ী বানানো হয়ে থাকে। গরমে তিনি বিভিন্ন ধরনের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করলেও শীতের মৌসুমে তিনি ভাপা পিঠা ও সিদ্ধ ডিম বিক্রি করে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সুখে-শান্তিতে দিনযাপন করছেন। তারা আরও বলেন, চিতই পিঠার সঙ্গে ধনে পাতা, মরিচ, সরষে, শুঁটকি বাটা দিয়েও পিঠা বিক্রি করেন তারা। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে এখন এসব পিঠার এক একটির দাম নেওয়া হয় ১০ টাকা এবং ভাপা পিঠার দাম নেওয়া হয় ১৫ টাকা। সন্ধ্যার পরে দোকানে ক্রেতাদের ভিড় থাকে অনেক বেশি। কেউ টুলে বসে কেউ বা দাঁড়িয়ে পিঠা খান। অনেকে আবার বাড়ির জন্য কাগজে করেও নিয়ে যান এসব পিঠা। এ বিষয়ে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের সিভিল সার্জন ডা. মোঃ সেলিম মিঞা জানান, পথেঘাটে অনেক পিঠার দোকান বসে। দোকানদার অবশ্যই দুহাত ধুয়ে পিঠা তৈরি করবেন। রাস্তার পাশের দোকান ঢেকে রাখা প্রয়োজন। অপরদিকে, ক্রেতারা হাত ধুয়ে পিঠা খাবেন। কখনোই বাসি ও পচা পিঠা খাওয়া উচিত নয়। এতে গ্যাস্ট্রিকসহ ডায়রিয়া হতে পারে। রিপন কান্তি গুণ ১৩/১২/২০২৩

আলতলীতে নদীতে গোসল করতে গিয়ে এক শিশু নিখোজ*