দেশজুড়ে

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে বিদ্যালয়ের শতবর্ষ উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

ডেস্ক রিপোর্ট

২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ , ১১:০৯:৫৯ প্রিন্ট সংস্করণ

শফিউল আলম,সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের
সাতগাঁও শাহাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৭ ফেব্রুয়ারি সোমবার সকাল ১১ টায় বিদ্যালয় প্রাাঙ্গনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শাহানুর মাস্টার’র সভাপতিত্বে ও সহকারী শিক্ষক লুৎফুর রহমান’র পরিচালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন শেখ দিলোয়ার হোসেন,উক্ত সভায় বক্তব্য রাখেন, বিশ্বম্ভরপুর সরকারি দিগন্দ্র বর্মন ডিগ্রি কলেজের অধক্ষ্য বিমালাংশু রায়,সহকারি অধ্যাপক আবদুল্লাহ ও প্রভাষক শেখ এটি এম আজরফ,সুনামগঞ্জ মহিলা পরিষদের সহ-সভাপতি ও জামালগঞ্জ উপজেলা মহিলা পরিষদের সভাপতি ডাঃআয়শা আক্তার বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ নজরুল ইসলাম, প্রমূখ। বক্তব্যে দাতা প্রতিষ্ঠাতা ও যাঁদের ত্যাগ-প্রচেষ্টায় এ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তাঁদের কে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হয় এবং আলোচনা সভা শেষে সকলের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি শেখ নাসির উদ্দীন, আখলাকুর রহমান মখলিছ,মাস্টার আব্দুস সামাদ সহ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সদস্য বৃন্দ ও অবিভাবক বৃন্দ এবং এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
উল্লেখ্য ১৯২৩’সালে সাতগাঁও শাহাপুর উচ্চ বিদ্যালয় এলাকার সব মানুষের সম্পৃক্ততায় প্রতিষ্ঠিত হয় আর বিশেষ ভাবে শাহাপুরের শেখ পরিবার দাতা ও প্রতিষ্ঠাতার গৌরব অর্জন করেন।

শেয়ার করুন:

আরও খবর

Sponsered content

শীতের শুরুতেই জমে উঠেছে পিঠা বিক্রি রিপন কান্তি গুণ, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি শীত আসলেই মনে হয়ে যায় শীতের নানা রকম মুখোরোচক পিঠার কথা। সন্ধ্যা নামার সাথে সাথেই হিমেল হাওয়ার প্রভাবে বেড়ে যায় শীতের তীব্রতা। শীতের শুরুতে গোধূলী বেলায় হালকা কুয়াশা নেমে আসতে না আসতেই নেত্রকোনা সদরসহ বিভিন্ন এলাকায় শীতে পিঠা বানানো, বেচাকেনায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন পিঠা ব্যবসায়ীরা। সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, নেত্রকোনা জেলার পৌর শহরের থানারমোড়, মুক্তারপাড়া মাঠ, বড়বাজার, সাতপাই কালিবাড়ি মোড়সহ বিভিন্ন উপজেলার হাট-বাজারের মোড়ে এবং গ্রামের দোকানে মাটির চুলায় তৈরি হচ্ছে নানা ধরনের পিঠা। বেশির ভাগই চোখে পড়ে ভাপা ও চিতই পিঠা। শীত আসলেই এসব দোকান বসে। পিঠা ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এ ব্যবসায় তেমন বেশি পুঁজি লাগে না। জ্বালানি হিসেবে লাকড়ি বা খড়ি লাগে, এ ছাড়া কিছু গুড়, নারকেল ও চালের গুঁড়া দিয়েই শুরু করা যায় ব্যবসা। তারা আরও বলেন, শীত মৌসুমে ভাপা ও চিতই পিঠা বিক্রি হয় বেশি। বিকেল থেকে বেশ রাত পর্যন্ত চলে বিক্রি। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভিড় বাড়তে থাকে পিঠার দোকানগুলোতে। জেলার পৌর শহরের থানার মোড়ে ভাপা পিঠা খেতে আসা আমহোসেন বলেন, চালের গুঁড়ার সঙ্গে গুড় এবং নারিকেল মিশিয়ে তৈরি করা হচ্ছে ভাপা পিঠা। গরম গরম ভাপা পিঠার মজাই আলাদা। ভাপা পিঠা আমাদের দেশের গ্রামীণ বাংলার দেশীয় সংস্কৃতি লালন করছে। অন্যদিকে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা বেকারত্ব দূরীকরণ ও অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছে। পৌর শহরের পিঠা বিক্রেতারা জানান, বেচা-বিক্রি বেশ ভালোই। সন্ধ্যায় ক্রেতাদের আগমন ঘটে অনেক, ফলে চাহিদানুযায়ী বানানো হয়ে থাকে। গরমে তিনি বিভিন্ন ধরনের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করলেও শীতের মৌসুমে তিনি ভাপা পিঠা ও সিদ্ধ ডিম বিক্রি করে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সুখে-শান্তিতে দিনযাপন করছেন। তারা আরও বলেন, চিতই পিঠার সঙ্গে ধনে পাতা, মরিচ, সরষে, শুঁটকি বাটা দিয়েও পিঠা বিক্রি করেন তারা। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে এখন এসব পিঠার এক একটির দাম নেওয়া হয় ১০ টাকা এবং ভাপা পিঠার দাম নেওয়া হয় ১৫ টাকা। সন্ধ্যার পরে দোকানে ক্রেতাদের ভিড় থাকে অনেক বেশি। কেউ টুলে বসে কেউ বা দাঁড়িয়ে পিঠা খান। অনেকে আবার বাড়ির জন্য কাগজে করেও নিয়ে যান এসব পিঠা। এ বিষয়ে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের সিভিল সার্জন ডা. মোঃ সেলিম মিঞা জানান, পথেঘাটে অনেক পিঠার দোকান বসে। দোকানদার অবশ্যই দুহাত ধুয়ে পিঠা তৈরি করবেন। রাস্তার পাশের দোকান ঢেকে রাখা প্রয়োজন। অপরদিকে, ক্রেতারা হাত ধুয়ে পিঠা খাবেন। কখনোই বাসি ও পচা পিঠা খাওয়া উচিত নয়। এতে গ্যাস্ট্রিকসহ ডায়রিয়া হতে পারে। রিপন কান্তি গুণ ১৩/১২/২০২৩

In Shahjadpur Upazila Baghabari, there is no one to see the cable theft of the Internet businessman in the dark of night.

শিক্ষাসামগ্রীসহ নিত্যপণ্যের দাম কমানোর দাবী সমাজ রূপান্তর সাংস্কৃতিক সংঘের

মাত্র সাড়ে ৬ মাস দায়িত্ব পালনে,রূপসা”বাসীর আস্থার প্রতীক : ওসি মো: শাহিন

হিন্দু বৈদ্য খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ স্বরূপকাঠি উপজেলার কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত।

ভূরুঙ্গামারীতে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা