অপরাধ

দুর্গাপুরে ভারতীয় জাল রুপি ও তৈরি সরঞ্জাসহ আটক ২

ডেস্ক রিপোর্ট

২০ মার্চ ২০২৩ , ৩:০২:০৫ প্রিন্ট সংস্করণ

 

মোঃ মাসুম বিল্লাহ
নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি:

নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর থানা পুলিশের অভিযানে ভারতীয় জাল রুপি ও তৈরি সরঞ্জাসহ ২ জনকে আটক করেছে পুলিশ। এসময় জাল ভারতীয় রুপি ও তৈরির সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। রোববার (১৯ মার্চ) রাতে কুল্লাগড়া ইউনিয়নের ভেন্নাকান্দা চৌরাস্তা বাজার থেকে তাদের আটক করা হয়। পরে সোমবার (২০ মার্চ) সকালে তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার(তদন্ত)ওসি মোহাম্মদ নূরুল আলম।

আটকৃতরা হলো,উপজেলার কুল্লাগড়া ইউনিয়নের ভেন্নাকান্দা গ্রামের মো.আব্দুল কাদিরের ছেলে সুমন আলী(২২) ও লোহাচোরা গ্রামের মো.শরাফত আলীর ছেলে রিয়াদ(২০)।

এ নিয়ে থানার(তদন্ত)ওসি নুরুল আলম জানান,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল রাত সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার ভেন্নাকান্না চৌরাস্তা বাজারের সুমন ফার্মেসী নামের একটি দোকানে অভিযান পরিচালনা করে ২ যুবককে আটক করা হয়। তাদের থেকে ভারতীয় ৪১২পিস জাল রুপি,ছাপানোর রঙ্গিন প্রিন্টার ও রুপী ছাপানোর কাগজ ১৪ পিস জব্দ করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে দুর্গাপুর থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।

শেয়ার করুন:

আরও খবর

Sponsered content

আন্ধারীঝাড়ে ধারের টাকা তুলতে হালখাতা এস এম মনিরুজ্জামান, স্ট্যাফ রিপোর্টারঃ ধারের টাকা তুলতে ঋণগ্রহীতাদের কাছে হালখাতার চিঠি দিয়েছেন কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার আন্ধারীঝাড় এম এ এম উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুল আউয়াল। এরইমধ্যে সবার কাছে হালখাতার চিঠি পৌঁছে দিয়েছেন তিনি। আগামী ১২ জানুয়ারি হালখাতা অনুষ্ঠিত হবে। হালখাতার একটা চিঠি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে আব্দুল আউয়াল চিঠিতে লিখেছেন, ‘আপনাদের টাকা হাওলাত দিয়ে আমি আনন্দিত। আগামী ১২ জানুয়ারি হালখাতার আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত হালখাতায় আপনি উপস্থিত হয়ে ঋণ পরিশোধ করে ঋণমুক্ত থাকুন।’ ধারের টাকা পরিশোধ করতে ৩৫ জন ঋণগ্রহীতাকে চিঠি দিয়েছেন ওই শিক্ষক। এসব মানুষের মধ্যে বেশিরভাগই তার বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজনসহ কাছের মানুষ। হালখাতার চিঠি পাওয়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন, ‘হালখাতার চিঠি পেয়ে প্রথমে হতভম্ব হলেও পরে বুঝতে পেরেছি ধারের টাকা ফেরত দিতে দেরি হয়েছে। আশা করছি হালখাতায় তার টাকা পরিশোধ করে দেবো।’ হালখাতার আয়োজক শিক্ষক আব্দুল আউয়াল বলেন, ‘যারা টাকা ধার নিয়েছেন তাদের সঙ্গে প্রতিদিন ওঠাবসা রয়েছে। লজ্জায় তাদের কাছে টাকা ফেরতও চাইতে পারি না। তারাও দেওয়ার নাম করে না। পরে তাদের টাকা ফেরত দেওয়ার মাধ্যম হিসেবে হালখাতার ধারণা মাথায় আসে। এতে তাদের সঙ্গে মনোমালিন্যও হলো না, আবার টাকা ওঠার সম্ভাবনা শতভাগ রয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, এ পর্যন্ত ৩৫ জনকে চিঠি দিয়েছি। এদের মধ্যে কেউ তিন বছর আগে টাকা নিয়েছেন। সবমিলিয়ে আমার তিন লাখ টাকার মতো ধার দেওয়া আছে। চিঠি পেয়ে অনেকে টাকা পরিশোধ করতে উদ্যোগ নিয়েছেন।

৮ বছরের শিশুকে যৌন নিপিড়নের অভিযোগ, মূলহোতা গ্রেফতার

মির্জাগঞ্জে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন।

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় প্রতিটা ইউনিয়নে মোঃসোহাগ তালুকদার এর মতো সৎ জনপ্রতিনিধিদের প্রয়োজন

ইটনায় ঈদের নামাজ থেকে ফেরার পথে খুন।