দেশজুড়ে

প্রতি টন রডের দর লাখ টাকা ছাড়িয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট

১৬ মার্চ ২০২৩ , ৩:৫৯:৪৩ প্রিন্ট সংস্করণ

 

ব্যুরো প্রধান, চট্টগ্রাম

রডের বাজারের শীর্ষস্থানীয় তিনটি কোম্পানি গতকাল নতুন করে প্রতি টন রডের দর ৫০০ টাকা করে বাড়িয়েছে। তাতে খুচরা পর্যায়ে নির্মাণ উপকরণটির দাম প্রথমবারের মতো লাখ টাকায় পৌঁছালো।

সারি সারি রড মজুত করে রাখা হয়েছে চট্টগ্রামের একটি ইস্পাত কারখানায়। নির্মাণ মৌসুমের শেষ দিকে এসে আগের সব রেকর্ড ভাঙলো রডের নতুন দাম। গতকাল বুধবার রডের বাজারের শীর্ষ সারির কোম্পানিগুলো প্রতি টন রডের দাম ৫০০ টাকা করে বাড়িয়েছে। তাতে তিনটি কোম্পানির রডের দাম প্রতি টন এক লাখ টাকায় উন্নীত হয়েছে। এর আগে কখনোই লাখ টাকায় রড বিক্রি হয়নি বলে উৎপাদকেরা জানিয়েছেন।

উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় রডের দাম বাড়ানো হয়েছে বলে এমনটি জানিয়েছেন উৎপাদকেরা। তাঁদের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি–ফেব্রুয়ারিতে গ্যাস–বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি, বেশি দামে ডলার কিনে আমদানি মূল্য পরিশোধ, তুরস্কের ভূমিকম্পের পর বিশ্ববাজারে কাঁচামালের দাম আরেক দফা বৃদ্ধির কারণে রডের উৎপাদন খরচ বেড়েছে। তাতে গ্যাস–বিদ্যুৎ ও ডলারের দাম বাড়ার প্রভাব শেষ পর্যন্ত ভোক্তার কাঁধে এসে পড়েছে।

লাখ টাকা ছাড়ানো শীর্ষ সারির প্রথম তিনটি ব্র্যান্ড হলো বিএসআরএম, আবুল খায়ের স্টিল ও জিপিএইচ ইস্পাত। এর মধ্যে সর্বোচ্চ দাম জিপিএইচ ইস্পাত রডের। খুচরায় তাদের রডের টনপ্রতি সর্বোচ্চ মূল্য দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫০০ টাকা। বিএসআরএম ও আবুল খায়ের স্টিলের রডের দাম ১ লাখ টাকায় থেমেছে। এ ছাড়া বুধবার দাম বাড়ানোর পর কেএসআরএম ব্র্যান্ডের রড ৯৮ হাজার টাকা এবং এইচএম স্টিল ব্র্যান্ডের রড ৯৬ হাজার ৫০০ টাকায় উন্নীত হয়েছে।

রড উৎপাদনে খরচ অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় তা সমন্বয় করা হয়েছে। শুধু জাহাজভাঙা শিল্পের স্ক্র্যাপ ব্যবহার করে রড উৎপাদন করলে এখন খরচ পড়বে ন্যূনতম ১ লাখ ৫ হাজার টাকা।

দাম বাড়ার এ প্রবণতা শুরু হয়েছে জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহ থেকে। কোম্পানিগুলোর নীতি হলো, তারা এক লাফে রডের দাম খুব বেশি বাড়ায় না। সাধারণত একবারে টনপ্রতি রডের দাম ৫০০ টাকা বাড়ায় তারা। যেমন এ সপ্তাহে সোমবার টনপ্রতি ৫০০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এরপর গতকাল বুধবারও বাড়ানো হয়েছে ৫০০ টাকা

শেয়ার করুন:

আরও খবর

Sponsered content