দেশজুড়ে

শাহজাদপুরে প্রধান শিক্ষক ময়নুল ইসলাম সরকার এর অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত।

ডেস্ক রিপোর্ট

২২ মার্চ ২০২৩ , ৬:১৫:১৯ প্রিন্ট সংস্করণ

 

মো: জাকারিয়া হোসেন, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:

আজ২২/০৩/২০২৩খ্রী: সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার পৌর সদরে অবস্থিত ইব্রাহিম মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ‍্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব ময়নুল ইসলাম সরকার এর অবসর জনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জনাব আজাদ রহমান শাহজাহান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব সাদিয়া আফরিন, উপজেলা শিক্ষা অফিসার জনাব ফজলুল হক, উপজেলা ইন্সট্রাকটর জনাব আয়েশা আক্তার,
সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার জনাব আতিকুর রহমান, জনাব আনিসুজ্জামান, জনাব মাযহারুল ইসলাম, জনাব রফিকুল ইসলাম, জনাব শরিফুল ইসলাম, জনাব ফরিদুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক জনাব হাবিবুন্নাহার, জনাব শিম্মি উজ জাহান, জনাব কামরুন্নাহার, জনাব ফিরোজা খাতুন প্রমুখ ও সহকারী শিক্ষকবৃন্দের একাংশ।

শেয়ার করুন:

আরও খবর

Sponsered content

লালমনিরহাটে ভাড়া বাড়িতে আগুন দিলেন ভারাটিয়া

৩৪ জন গৃহহীন পরিবার পেলেন পাকা ঘর দৌলতপুরে

ইউজেএফ’ এর ইফতার ও দোয়া মাহফিলে সোহরাওয়ার্দী কলেজ সাংবাদিক সমিতি

শীতের শুরুতেই জমে উঠেছে পিঠা বিক্রি রিপন কান্তি গুণ, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি শীত আসলেই মনে হয়ে যায় শীতের নানা রকম মুখোরোচক পিঠার কথা। সন্ধ্যা নামার সাথে সাথেই হিমেল হাওয়ার প্রভাবে বেড়ে যায় শীতের তীব্রতা। শীতের শুরুতে গোধূলী বেলায় হালকা কুয়াশা নেমে আসতে না আসতেই নেত্রকোনা সদরসহ বিভিন্ন এলাকায় শীতে পিঠা বানানো, বেচাকেনায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন পিঠা ব্যবসায়ীরা। সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, নেত্রকোনা জেলার পৌর শহরের থানারমোড়, মুক্তারপাড়া মাঠ, বড়বাজার, সাতপাই কালিবাড়ি মোড়সহ বিভিন্ন উপজেলার হাট-বাজারের মোড়ে এবং গ্রামের দোকানে মাটির চুলায় তৈরি হচ্ছে নানা ধরনের পিঠা। বেশির ভাগই চোখে পড়ে ভাপা ও চিতই পিঠা। শীত আসলেই এসব দোকান বসে। পিঠা ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এ ব্যবসায় তেমন বেশি পুঁজি লাগে না। জ্বালানি হিসেবে লাকড়ি বা খড়ি লাগে, এ ছাড়া কিছু গুড়, নারকেল ও চালের গুঁড়া দিয়েই শুরু করা যায় ব্যবসা। তারা আরও বলেন, শীত মৌসুমে ভাপা ও চিতই পিঠা বিক্রি হয় বেশি। বিকেল থেকে বেশ রাত পর্যন্ত চলে বিক্রি। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভিড় বাড়তে থাকে পিঠার দোকানগুলোতে। জেলার পৌর শহরের থানার মোড়ে ভাপা পিঠা খেতে আসা আমহোসেন বলেন, চালের গুঁড়ার সঙ্গে গুড় এবং নারিকেল মিশিয়ে তৈরি করা হচ্ছে ভাপা পিঠা। গরম গরম ভাপা পিঠার মজাই আলাদা। ভাপা পিঠা আমাদের দেশের গ্রামীণ বাংলার দেশীয় সংস্কৃতি লালন করছে। অন্যদিকে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা বেকারত্ব দূরীকরণ ও অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছে। পৌর শহরের পিঠা বিক্রেতারা জানান, বেচা-বিক্রি বেশ ভালোই। সন্ধ্যায় ক্রেতাদের আগমন ঘটে অনেক, ফলে চাহিদানুযায়ী বানানো হয়ে থাকে। গরমে তিনি বিভিন্ন ধরনের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করলেও শীতের মৌসুমে তিনি ভাপা পিঠা ও সিদ্ধ ডিম বিক্রি করে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সুখে-শান্তিতে দিনযাপন করছেন। তারা আরও বলেন, চিতই পিঠার সঙ্গে ধনে পাতা, মরিচ, সরষে, শুঁটকি বাটা দিয়েও পিঠা বিক্রি করেন তারা। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে এখন এসব পিঠার এক একটির দাম নেওয়া হয় ১০ টাকা এবং ভাপা পিঠার দাম নেওয়া হয় ১৫ টাকা। সন্ধ্যার পরে দোকানে ক্রেতাদের ভিড় থাকে অনেক বেশি। কেউ টুলে বসে কেউ বা দাঁড়িয়ে পিঠা খান। অনেকে আবার বাড়ির জন্য কাগজে করেও নিয়ে যান এসব পিঠা। এ বিষয়ে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের সিভিল সার্জন ডা. মোঃ সেলিম মিঞা জানান, পথেঘাটে অনেক পিঠার দোকান বসে। দোকানদার অবশ্যই দুহাত ধুয়ে পিঠা তৈরি করবেন। রাস্তার পাশের দোকান ঢেকে রাখা প্রয়োজন। অপরদিকে, ক্রেতারা হাত ধুয়ে পিঠা খাবেন। কখনোই বাসি ও পচা পিঠা খাওয়া উচিত নয়। এতে গ্যাস্ট্রিকসহ ডায়রিয়া হতে পারে। রিপন কান্তি গুণ ১৩/১২/২০২৩

রাঙ্গাবালীতে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে প্রেস ব্রিফিং

রিদওয়ানের হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন ।