দেশজুড়ে

বঙ্গবন্ধু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় নওগাঁর তালতলীতে স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন

ডেস্ক রিপোর্ট

২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ , ৩:৩৪:০৬ প্রিন্ট সংস্করণ

 

শামিম হোসেন,নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি ঃ নওগাঁ জেলার একমাত্র যৌক্তিক স্থান ও বঙ্গবন্ধুর ভাষণ মঞ্চ তালতলীর দিঘলীর বিলে সরকার
অনুমোদিত বঙ্গবন্ধু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের এবং বঙ্গবন্ধুর পদচিহ্ন সংরক্ষণের দাবিতে মানববন্ধন
করেছেন স্থানীয় লোকজন। বুধবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় সদর উপজেলার তালতলীতে নওগাঁর
সর্বস্তরের জনগণের আয়োজনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় নওগাঁ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শরিফুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন-
মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন, উত্তরাঞ্চল উন্নয়ন পরিষদ আহব্বায় কধ্যক্ষ আব্দুর রহমান, শিক্ষক আব্দুস সামাদসহ
অন্যরা। মানববন্ধনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন এলাকায় শতাধিক বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ উপস্থিত
ছিলেন।
মানবব্ধনে বক্তারা বলেন, নওগাঁয় একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অভাবে প্রতি বছর হাজার হাজার
শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। নওগাঁর তালতলী এলাকার দিঘলীর বিল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের
সবথেকে যৌক্তিক স্থান। আর এই স্থানটি নওগাঁ শহরের খুবই কাছে হওয়াই শিক্ষার্থীরা সকল ধরনের
সুযোগ সুবিধা পাবে। ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবর রহমান প্রথম এই তালতলীর মাটিতে পা রাখেন।
আর এই দিঘলীর বিল ছিলো বঙ্গবন্ধুর ভাষণ মঞ্চ। তাই বঙ্গবন্ধুর পদচিহ্ন সংরক্ষণের জন্য এই মাটিতেই
বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জোর দাবি এলাকাবাসীর। তারা আরো বলেন এই এলাকা মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম
সংগঠক, সাবেক বানিজ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক মরহুম আব্দুল জলিলের
জন্মভূমি। এছাড়াও দিঘলীর বিলের জমি এক ফসলি হওয়াই এই বিলকেই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের
যৌক্তিক স্থান বলে দাবি করছেন সবাই।

শেয়ার করুন:

আরও খবর

Sponsered content

ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিক ঐক্য ফোরাম গঠনে আলোচনা ও দোয়া।

নারী নেত্রীদের সঙ্গে,মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত : সারমিন সালামের,

লোহাগড়ায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি

কয়রায় কৃষকের ধান কেটে বাড়ি পৌঁছে দিলো উপজেলা ছাত্রলীগ।

পিজিসিবি শ্রমিক কর্মচারী লীগের কর্মি সভা অনুষ্ঠান

শীতের শুরুতেই জমে উঠেছে পিঠা বিক্রি রিপন কান্তি গুণ, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি শীত আসলেই মনে হয়ে যায় শীতের নানা রকম মুখোরোচক পিঠার কথা। সন্ধ্যা নামার সাথে সাথেই হিমেল হাওয়ার প্রভাবে বেড়ে যায় শীতের তীব্রতা। শীতের শুরুতে গোধূলী বেলায় হালকা কুয়াশা নেমে আসতে না আসতেই নেত্রকোনা সদরসহ বিভিন্ন এলাকায় শীতে পিঠা বানানো, বেচাকেনায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন পিঠা ব্যবসায়ীরা। সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, নেত্রকোনা জেলার পৌর শহরের থানারমোড়, মুক্তারপাড়া মাঠ, বড়বাজার, সাতপাই কালিবাড়ি মোড়সহ বিভিন্ন উপজেলার হাট-বাজারের মোড়ে এবং গ্রামের দোকানে মাটির চুলায় তৈরি হচ্ছে নানা ধরনের পিঠা। বেশির ভাগই চোখে পড়ে ভাপা ও চিতই পিঠা। শীত আসলেই এসব দোকান বসে। পিঠা ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এ ব্যবসায় তেমন বেশি পুঁজি লাগে না। জ্বালানি হিসেবে লাকড়ি বা খড়ি লাগে, এ ছাড়া কিছু গুড়, নারকেল ও চালের গুঁড়া দিয়েই শুরু করা যায় ব্যবসা। তারা আরও বলেন, শীত মৌসুমে ভাপা ও চিতই পিঠা বিক্রি হয় বেশি। বিকেল থেকে বেশ রাত পর্যন্ত চলে বিক্রি। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভিড় বাড়তে থাকে পিঠার দোকানগুলোতে। জেলার পৌর শহরের থানার মোড়ে ভাপা পিঠা খেতে আসা আমহোসেন বলেন, চালের গুঁড়ার সঙ্গে গুড় এবং নারিকেল মিশিয়ে তৈরি করা হচ্ছে ভাপা পিঠা। গরম গরম ভাপা পিঠার মজাই আলাদা। ভাপা পিঠা আমাদের দেশের গ্রামীণ বাংলার দেশীয় সংস্কৃতি লালন করছে। অন্যদিকে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা বেকারত্ব দূরীকরণ ও অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছে। পৌর শহরের পিঠা বিক্রেতারা জানান, বেচা-বিক্রি বেশ ভালোই। সন্ধ্যায় ক্রেতাদের আগমন ঘটে অনেক, ফলে চাহিদানুযায়ী বানানো হয়ে থাকে। গরমে তিনি বিভিন্ন ধরনের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করলেও শীতের মৌসুমে তিনি ভাপা পিঠা ও সিদ্ধ ডিম বিক্রি করে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সুখে-শান্তিতে দিনযাপন করছেন। তারা আরও বলেন, চিতই পিঠার সঙ্গে ধনে পাতা, মরিচ, সরষে, শুঁটকি বাটা দিয়েও পিঠা বিক্রি করেন তারা। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে এখন এসব পিঠার এক একটির দাম নেওয়া হয় ১০ টাকা এবং ভাপা পিঠার দাম নেওয়া হয় ১৫ টাকা। সন্ধ্যার পরে দোকানে ক্রেতাদের ভিড় থাকে অনেক বেশি। কেউ টুলে বসে কেউ বা দাঁড়িয়ে পিঠা খান। অনেকে আবার বাড়ির জন্য কাগজে করেও নিয়ে যান এসব পিঠা। এ বিষয়ে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের সিভিল সার্জন ডা. মোঃ সেলিম মিঞা জানান, পথেঘাটে অনেক পিঠার দোকান বসে। দোকানদার অবশ্যই দুহাত ধুয়ে পিঠা তৈরি করবেন। রাস্তার পাশের দোকান ঢেকে রাখা প্রয়োজন। অপরদিকে, ক্রেতারা হাত ধুয়ে পিঠা খাবেন। কখনোই বাসি ও পচা পিঠা খাওয়া উচিত নয়। এতে গ্যাস্ট্রিকসহ ডায়রিয়া হতে পারে। রিপন কান্তি গুণ ১৩/১২/২০২৩