দেশজুড়ে

আগামীকাল শওকত হোসেন হিরনের ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী

ডেস্ক রিপোর্ট

৮ এপ্রিল ২০২৩ , ৬:০৪:১৬ প্রিন্ট সংস্করণ

 

পলাশ চন্দ্র দাসঃবরিশাল প্রতিনিধি//

আগামীকাল ৯ এপ্রিল বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের জননন্দিত সাবেক মেয়র শওকত হোসেন হিরনের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০১৪ সালে আজকের এ দিনে সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান আধুনিক বরিশালের রূপকার সাবেক মেয়র ও সংসদ সদস্য শওকত হোসেন হিরন।

তিনি না থাকলেও আজও তার প্রতিচ্ছবি ভেসে উঠছে তারই রেখে যাওয়া স্মৃতি এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে। জানা গেছে, ২০০৮ সালের ৪ আগস্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিজয় অর্জন করেন এবং মেয়র নির্বাচিত হন শওকত হোসেন হিরন। তিনি বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের দ্বিতীয় পরিষদে মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই পাল্টে যায় নগরের চিত্র। উন্নয়ন বঞ্চিত বরিশাল সিটিকে আধুনিক রূপে পরিচয় করিয়ে দেন তিনি।

তবে ২০১৩ সালের ১৫ জুন বরিশাল সিটি’র তৃতীয় পরিষদের নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আহসান হাবিব কামালের কাছে অল্প ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হতে হয়েছে শওকত হোসেন হিরনকে।পরে অবশ্য ২০১৪ সালের ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার ত্যাগের মূল্যায়ন করেন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি শওকত হোসেন হিরনকে বরিশাল সদর আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী করেন এবং একই বছরের ৫ জানুয়ারি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন।

২০১৪ সালের ২২ মার্চ রাতে বরিশাল ক্লাবে বসে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। প্রথমে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা এবং পরবর্তীতে সিঙ্গাপুরেও নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে দেশে ফিরিয়ে এনে অ্যাপোলো হাসপাতালে কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাস দিয়ে রাখা হয় হিরনকে। কিন্তু সবাইকে কাঁদিয়ে ৯ এপ্রিল না ফেরার দেশে চলে যান তিনি।

এদিকে শওকত হোসেন হিরনের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার মালিকানাধীন প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে মিলাদ ও দোয়া-মোনাজাতের আয়োজন করা হয়েছে। তাছাড়া হিরনের ভক্ত ও অনুসারীরাও আয়োজন করেছে বিশেষ দোয়া মোনাজাতের।

শেয়ার করুন:

আরও খবর

পিরোজপুরে যুবদলে বিক্ষোভ মিছিল

তাড়াশে পুকুরে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে যুবককে এলোপাথাড়ি ভাবে মেরে জখম।

বাকেরগঞ্জে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা বাদশাকে পেতে চায় এলাকাবাসী।।

বাকেরগঞ্জে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা বাদশাকে পেতে চায় এলাকাবাসী।।

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় প্রতিটা ইউনিয়নে মোঃমমিনুল ইসলাম এর মতো সৎ জনপ্রতিনিধিদের প্রয়োজন

১৪ই ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন দৌলতপুর উপজেলা প্রশাসনের   মো: আমিনুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার, দৌলতপুর মানিকগঞ্জ।   মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর উপজেলায়  শহীদ বুদ্ধিজীবী বুদ্ধি দিবস পালন করে উপজেলা প্রশাসন   ১৪(ডিসেম্বর)সকাল ৮ টায়  শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে  শ্রদ্ধা জানায়  দৌলতপুর উপজেলা প্রশাসন, দৌলতপুর থানা  সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।    পরে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উদযাপন উপলক্ষে উপজেলা পরিষদের হল রুমে আলোচনা  সভার আয়োজন করা হয় । অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করছেন উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা জনাব আশিকুর রহমান চৌধুরী।এসময় বক্তব্য রাখেন -সদ্য যোগদানকৃত থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি সুমন কুমার আদিত্য, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা:হাসিন আহমেদ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট আবুল কাশেম, বীরমুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম , প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ শাহ আলম, বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ রেজাউল করিম প্রমুখ। অফিসার্স ইনচার্জ সুমন কুমার আদিত্য বলেন ১৪ই ডিসেম্বরের যে নীশংস হত্যাকান্ড চালিয়েছে তা জাতিকে মেধাশূন্য করার লক্ষ্য ছিল মূল উদ্দেশ্য।   সভাপতিত্ব বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশিকুর রহমান বলেন একটা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান হচ্ছে দেশের বুদ্ধিজীবীরা, আর সে বুদ্ধিজীবীদের নিসংস ভাবে হত্যা করা হয়  তাহলে আর রাষ্ট্রের কি থাকে।

১৪ই ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন দৌলতপুর উপজেলা প্রশাসনের মো: আমিনুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার, দৌলতপুর মানিকগঞ্জ। মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর উপজেলায় শহীদ বুদ্ধিজীবী বুদ্ধি দিবস পালন করে উপজেলা প্রশাসন ১৪(ডিসেম্বর)সকাল ৮ টায় শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায় দৌলতপুর উপজেলা প্রশাসন, দৌলতপুর থানা সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। পরে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উদযাপন উপলক্ষে উপজেলা পরিষদের হল রুমে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয় । অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করছেন উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা জনাব আশিকুর রহমান চৌধুরী।এসময় বক্তব্য রাখেন -সদ্য যোগদানকৃত থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি সুমন কুমার আদিত্য, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা:হাসিন আহমেদ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট আবুল কাশেম, বীরমুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম , প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ শাহ আলম, বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ রেজাউল করিম প্রমুখ। অফিসার্স ইনচার্জ সুমন কুমার আদিত্য বলেন ১৪ই ডিসেম্বরের যে নীশংস হত্যাকান্ড চালিয়েছে তা জাতিকে মেধাশূন্য করার লক্ষ্য ছিল মূল উদ্দেশ্য। সভাপতিত্ব বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশিকুর রহমান বলেন একটা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান হচ্ছে দেশের বুদ্ধিজীবীরা, আর সে বুদ্ধিজীবীদের নিসংস ভাবে হত্যা করা হয় তাহলে আর রাষ্ট্রের কি থাকে।

জালালাবাদে এক নারীর মৃতদেহ উদ্বার

Sponsered content