দেশজুড়ে

রূপগঞ্জে ইউএস বাংলা মেডিকেল কলেজের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সভা ॥ শোভাযাত্রা

ডেস্ক রিপোর্ট

১ এপ্রিল ২০২৩ , ১১:২৩:৪৪ প্রিন্ট সংস্করণ

 

ফাহিম বাদশা
রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কর্ণগোপ এলাকায় অবস্থিত ইউএস বাংলা মেডিকেল কলেজের ৯ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। গতকাল ১ এপ্রিল শনিবার কলেজ প্রাঙ্গনে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিল কেককাটা, শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা। কলেজ মিলনায়তনে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল(অবঃ) ডাঃ মোঃ আজিজুল ইসলাম। সভায় বক্তব্য রাখেন ইউএস বাংলা গ্রুপের ডেপুটি ডিরেক্টর ও কলেজ পরিচালনা কমিটির সদস্য ডাঃ মাহবুব ঢালী, মেজর জেনারেল (অবঃ) আব্দুল মতিন, মেজর জেনারেল (অবঃ) প্রফেসর ডাঃ বিজয় কুমার সরকার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) অধ্যাপক মোঃ সাজ্জাদুর রহমান, ডাঃ মোঃ এনায়েত করিম ও ডাঃ দেলোয়ার হোসেন মোল্লা প্রমুখ।
পরে কেক কেটে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের রূপগঞ্জের কর্ণগোপ এলাকা শোভাযাত্রা নিয়ে তারা প্রদক্ষিণ করে।

শেয়ার করুন:

আরও খবর

Sponsered content

নগরকান্দায় নিম্নমানের ডাইভারশন সড়ক ধসে ট্রাক খাদে

আলমডাঙ্গাতে, মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে মোট ৪৫০০ টাকা জরিমানা ।

কোম্পানীগঞ্জের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাকের মৃত্যুতে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর শোক

রাজবাড়ীতে আগুনে পুড়ে নিঃস্ব চার পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন ভিপি নূরের গণ অধিকার পরিষদ

খুলনায় কুকুর জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগে আটক ৪

আন্ধারীঝাড়ে ধারের টাকা তুলতে হালখাতা এস এম মনিরুজ্জামান, স্ট্যাফ রিপোর্টারঃ ধারের টাকা তুলতে ঋণগ্রহীতাদের কাছে হালখাতার চিঠি দিয়েছেন কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার আন্ধারীঝাড় এম এ এম উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুল আউয়াল। এরইমধ্যে সবার কাছে হালখাতার চিঠি পৌঁছে দিয়েছেন তিনি। আগামী ১২ জানুয়ারি হালখাতা অনুষ্ঠিত হবে। হালখাতার একটা চিঠি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে আব্দুল আউয়াল চিঠিতে লিখেছেন, ‘আপনাদের টাকা হাওলাত দিয়ে আমি আনন্দিত। আগামী ১২ জানুয়ারি হালখাতার আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত হালখাতায় আপনি উপস্থিত হয়ে ঋণ পরিশোধ করে ঋণমুক্ত থাকুন।’ ধারের টাকা পরিশোধ করতে ৩৫ জন ঋণগ্রহীতাকে চিঠি দিয়েছেন ওই শিক্ষক। এসব মানুষের মধ্যে বেশিরভাগই তার বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজনসহ কাছের মানুষ। হালখাতার চিঠি পাওয়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন, ‘হালখাতার চিঠি পেয়ে প্রথমে হতভম্ব হলেও পরে বুঝতে পেরেছি ধারের টাকা ফেরত দিতে দেরি হয়েছে। আশা করছি হালখাতায় তার টাকা পরিশোধ করে দেবো।’ হালখাতার আয়োজক শিক্ষক আব্দুল আউয়াল বলেন, ‘যারা টাকা ধার নিয়েছেন তাদের সঙ্গে প্রতিদিন ওঠাবসা রয়েছে। লজ্জায় তাদের কাছে টাকা ফেরতও চাইতে পারি না। তারাও দেওয়ার নাম করে না। পরে তাদের টাকা ফেরত দেওয়ার মাধ্যম হিসেবে হালখাতার ধারণা মাথায় আসে। এতে তাদের সঙ্গে মনোমালিন্যও হলো না, আবার টাকা ওঠার সম্ভাবনা শতভাগ রয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, এ পর্যন্ত ৩৫ জনকে চিঠি দিয়েছি। এদের মধ্যে কেউ তিন বছর আগে টাকা নিয়েছেন। সবমিলিয়ে আমার তিন লাখ টাকার মতো ধার দেওয়া আছে। চিঠি পেয়ে অনেকে টাকা পরিশোধ করতে উদ্যোগ নিয়েছেন।